• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dilip Ghosh

রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

খড়গপুরে ফিরেই আগুন দিলীপ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর অবশেষে বিজেপির মধ্যে নিজের জায়গা আরও মজবুত করলেন দিলীপ ঘোষ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর পছন্দের খড়গপুর কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে। নাম ঘোষণার পর থেকেই আবার আগের মতোই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে।শুক্রবার খড়গপুরে চা চক্রে অংশ নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন দিলীপ। তৃণমূলের ইশতেহার নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন আর কেউ এই ইশতেহার পড়ে না বা গুরুত্ব দেয় না। তাঁর দাবি, ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না।ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রাম পুলিশদের বোনাস ঘোষণার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দিলীপের বক্তব্য, একদিকে রাজ্য সরকার বলছে টাকা নেই, অন্যদিকে আবার নানা খাতে খরচ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাতা নয়, যদি বেতন বাড়াতে চান, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিতে হবে।রাজ্যে বিজেপির জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, একের পর এক রাজ্যে জয়ের ধারা বজায় রেখে এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বাংলায় বিজেপির সরকার প্রয়োজন।এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি নিয়েও কড়া প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন রাজ্যে শাসন করার পর এখন মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্রাম নেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে বাকি দায়িত্ব বিজেপি সামলাবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।ভোটের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে আরও বাড়বে, তা বলাই যায়।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

হিরণকে সরিয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, খড়্গপুর সদরে নতুন সমীকরণ

খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত নাম দিলীপ ঘোষের। তিনি এক সময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। পরে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। তবুও খড়্গপুর সদর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।সোমবার বিজেপি একশো চুয়াল্লিশ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দিলীপ ঘোষের নাম। ফলে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে আর প্রার্থী করা হল না।দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালকে পরাজিত করেছিলেন। সোহনপাল দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁকে হারানোর পরই রাজ্য রাজনীতিতে বড় করে আলোচনায় আসেন দিলীপ ঘোষ।দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক ছিলেন। পরে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক পদ ছাড়েন তিনি। সেই সময় উপনির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূলের প্রদীপ সরকার।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবারও তিনি টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। অন্যদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে খড়্গপুর এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও।গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বিজেপির কর্মসূচিতে তাঁকে খুব বেশি দেখা যাচ্ছিল না। তবে পরে কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের রাজ্য সফরের পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তাঁকে আবার পুরনো ভঙ্গিতে রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যেতে থাকে।এই সময়ের মধ্যেই খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্ত্রীকে আইনি ভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। এমনকি তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় অভিযোগও দায়ের করেন।এই সব বিতর্কের আবহেই শেষ পর্যন্ত হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী না করে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিল বিজেপি। এখন দেখার, দুই হাজার ষোলো সালের মতো আবারও কি এই কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বেঙ্গল টাইগার কামব্যাক! মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ

রানাঘাটের কুপার্স ক্যাম্পে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় মঙ্গলবার একই মঞ্চে দেখা গেল রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। পাশাপাশি বসে সভা করেন দুজনেই। শমীকের আগে বক্তব্য রাখতে উঠে দিলীপ ঘোষ জানান, তাঁরা পরিবর্তন চান। তাঁর কথায়, গত নির্বাচনে এই জায়গায় পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, কিন্তু তা অর্ধেকেই থেমে গিয়েছিল। এবার সেই পরিবর্তন সম্পূর্ণ করতে হবে।বক্তব্যের মাঝেই দিলীপ ঘোষ বলেন, পরিবর্তন এমনিতেই হবে, কারণ পরিবর্তন যুগের নিয়ম। তবে তাঁরা একটু তাড়াতাড়ি সেই পরিবর্তন চান। এরপরই তিনি বলেন, অনেকেই বলতে পারেন তিনি বাইরে থাকতে আর ভালো লাগছে না বলেই মন্ত্রী হতে চাইছেন। দিলীপ ঘোষ নিজেই বলেন, তিনি নিশ্চয় মন্ত্রী হবেন। কারণ মন্ত্রী না হলে সাধারণ মানুষের কীভাবে উপকার করা যাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।দিলীপের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার না হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গরিবদের জন্য করা প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যের মানুষ কীভাবে পাবেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকারের আমলে গরিবদের জন্য দেওয়া সব সুযোগ-সুবিধাই লুট হয়ে যাচ্ছে। তাই মন্ত্রী হয়ে সেই পরিস্থিতি বদলাতে চান বলেও জানান তিনি।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁর বক্তব্যের কটাক্ষ করেন। কুণাল বলেন, সব পেশাতেই উন্নতির লক্ষ্য থাকে। দিলীপ ঘোষ আরএসএসের পুরনো মানুষ এবং তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের মতাদর্শগত লড়াই রয়েছে। তবে প্রকাশ্যে এই হতে চাই, ওই হতে চাইএই ধরনের মন্তব্য তাঁর মুখে মানায় না বলেই কটাক্ষ করেন কুণাল।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, তপন শিকদারের পর দিলীপ ঘোষই রাজ্য বিজেপির সবচেয়ে সফল সভাপতি ছিলেন। কিন্তু এখনই মন্ত্রী হতে চাই বলে বিজেপির গোটা দল যেভাবে তাড়াহুড়ো করছে, দিলীপ ঘোষও হয়তো সেই স্রোতেই ভেসে যাচ্ছেন।বেঙ্গল টাইগার ইজ ব্যাক লেখা পোস্টার ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে। আর রাজনীতির ময়দানে নতুন করে সক্রিয় হয়ে এবার প্রকাশ্যেই মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা জানালেন দিলীপ ঘোষ। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহের বৈঠকের পরেই কি চুপ দিলীপ? জল্পনা তুঙ্গে

খড়গপুরে চা-চক্রে বসে সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ আর সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্যামেরায় কথা বলবেন না। প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতির এই ঘোষণার পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই ঘোরাফেরা করছে প্রশ্ন ।বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তার পরদিনই রাম মন্দির প্রসঙ্গে তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। বৃহস্পতিবার দিলীপ বলেন, মন্দির-মসজিদ ইস্যু ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি অযোধ্যার রাম মন্দির এবং বাংলার মন্দির প্রসঙ্গ টানেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফৈজাবাদ আসনে বিজেপির হার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় মন্দির তৈরি করলেই যে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত, এমন ভাবা ভুল।এই মন্তব্যের পরেই অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্য বিজেপি। দলীয় সূত্রের দাবি, দিলীপের বক্তব্যে শীর্ষ নেতৃত্ব খুশি হয়নি। শুক্রবারই তাঁকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। সূত্রের খবর, অমিত শাহের তরফে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছেও বার্তা যায় নেতাদের যেন অহেতুক মন্তব্য না করতে বলা হয়। এমনকী শাহ নিজেই বুঝিয়ে দেন, সমস্ত তথ্য তাঁর হাতেই রয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, বুধবারের সেই বৈঠকে অমিত শাহ দলীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিলীপের মন্তব্য ভাল ভাবে নেননি শাহ, এমনটাই দাবি দলীয় সূত্রের। সেই কারণেই কি এবার পাকাপাকি ভাবে মুখ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।শুক্রবার সল্টলেকের বিজেপি দফতরে ঢোকার সময় দিলীপ বলেছিলেন, যা বলার সকালে বলেছেন। যদিও তার পরেও শনিবার পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খড়গপুরে চা-চক্রে সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন, আর ক্যামেরার সামনে কথা বলবেন না। পরিস্থিতি বুঝেই কি আরও বিতর্ক এড়াতে এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে চাপানউতোর চলছেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
কলকাতা

অমিত শাহের বার্তা পেয়েই অ্যাকশনে দিলীপ ঘোষ, জানুয়ারিতেই জনসভায় ফিরছেন তিনি

এদিন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে পুরোপুরি কাজে লাগানোর কথা বলেছেন। তিনি বলেন, দলের নির্দেশ মতোই তিনি কাজ করবেন। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, সম্প্রতি দলে একাধিক নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে, যেগুলোর বিষয়ে আগে তিনি অবগত ছিলেন না। সেই বিষয়গুলোই তিনি বিস্তারিতভাবে জেনে নিয়েছেন।শুধু দলীয় দফতরে বৈঠকেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না দিলীপ ঘোষ। খুব শীঘ্রই তাঁকে জনসভাতেও দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ জানান, জানুয়ারি মাসেই দুর্গাপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের একটি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভাতেই তিনি উপস্থিত থাকবেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে, সত্যিই কি তিনি আবার মাঠে নেমে সক্রিয় রাজনীতি করবেন, উত্তরে দিলীপ বলেন, দল যেভাবে দায়িত্ব দেবে, সেভাবেই তিনি কাজ করবেন। এমনকি ভোটে লড়তে বলা হলে তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান।দলের অন্দরে আদি ও নব্য নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি এড়িয়ে যান দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, নতুন নেতারা দলে এলে তাঁদের অনেক বিষয় নতুন করে বুঝিয়ে দিতে হয়। ভোটের আগে এমনটা প্রায়ই দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নব্য নেতারা তাঁকে বুঝতে পারছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, দল বুঝলেই যথেষ্ট। আর কে তাঁকে বুঝল বা বুঝল না, তা নিয়ে তিনি ভাবেন না। কাউকে বোঝানো তাঁর দায়িত্ব নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।বিজেপির ভবিষ্যৎ লড়াইয়ের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহু বছর ধরে আন্দোলন ও লড়াই চালিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। বিজেপিও এবার ভিন্ন কৌশলে লড়াইয়ে নামবে বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির কোনও সভা বা কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষকে দেখা যায়নি। দলীয় বহু অনুষ্ঠানেও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছিল না। সেই দিলীপ ঘোষই এবার সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হলেন এবং জানালেন, খুব শীঘ্রই তাঁকে জনসভাতেও দেখা যাবে। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজনীতি

একদল কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ, কি জন্য ছুটলেন সেখানে.......

এখনও বঙ্গ বিজেপির কাছে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ। অন্য দলে যোগ না দিলেও বিজেপির কোনও কার্যক্রমেই দেখা মিলছে না বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব কমার কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। এরইমধ্যে একদল দলীয় কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কেন ছুটলেন ওড়িশা?The Bengal Files এরাজ্যে কোনও প্রেক্ষাগৃহেই রিলিজ হয়নি। দেশের অন্যত্র এই বিতর্কিত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার পাশের বিজেপি শাসিত রাজ্য ওড়িশায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে গিয়েছেন প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন বিজেপির ৫৫ জন কার্যকর্তা। বৃহস্পতিবার এরা দলবল মিলে খড়গপুর থেকে ট্রেনে চেপেছেন। উদ্দেশ্য ওড়িশায় গিয়ে বেঙ্গল ফাইলস সিনেমা দেখা। বেঙ্গল ফাইল সিনেমার সার্বিক বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী সিনেমার মুখ্য চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়ের পরিবারও সিনেমাটির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ঘটনা বিকৃত করার অভিযোগে পরিচালকের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত করেছেন তাঁর নাতি শান্তনু মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার হিংসাত্মক পরিস্থিতি ও সেই সঙ্গে গোপাল মুখার্জি (গোপাল পাঠা)-র ভূমিকা রয়েছে এই হিন্দি ছবিতে। ছবিটির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। এরাজ্যে ব্যান করা না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতার জন্য় বাংলার কোথাও এই সিনেমা মুক্তি পায়নি। এমনকী The Bengal Files ট্রেলার লঞ্চেও কলকাতায় তুমুল গন্ডগোল হয়েছিল। এরাজ্যে মুক্তি না পাওয়ায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে ওড়িশায় গেলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।ওড়িশা যাওয়ার পথে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সারা ভারতে রিলিজ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখানে The Bengal Files রিলিজ হতে দেয়নি। রাজ্য সরকারের যে স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা বালেশ্বর যাচ্ছি বেঙ্গল ফাইলস সিনেমাটি দেখার জন্য। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার সত্যকে ভয় পায়। বাঙালির সঙ্গে স্বাধীনতার আগে ও পরে কী হয়েছে, এখনও কী চলছে মানুষ যাতে সেটা জানতে না পারে তাই বেঙ্গল ফাইলস রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রীতমের অস্বাভাবিক মৃত্যু: "যুবসমাজের মধ্যে নেশার যে কি প্রভাব," বললেন দিলীপ ঘোষ

দিলীপ পত্নী রিঙ্কু মজুমদারের ছেলে প্রীতমের হঠাৎ মৃত্য়ু নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে নার্ভের অষুধ খাচ্ছিলেন না বলেও তাঁর মা জানিয়েছেন। এদিকে বুধবার প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের সম্পূর্ণ রিপোর্ট পেলে বুঝতে পারব। বন্ধু বান্ধব নিয়ে থাকত। একা থাকেনি সেইভাবে। ড্রাগের সমস্যা ওর আগে থেকেই ছিল। ওর কাউন্সেলিং চলছিল। ওর অফিসের ডাক্তার দেখত। হঠাৎ করে কেন হল, কি হল রিপোর্ট এলে বুঝতে পারব। একটা তরতাজা ছেলে। আজকের যুবসমাজের মধ্যে নেশার যে কি প্রভাব, তার এটা একটা নমুনা। ঠিক কি হয়েছিল বলার আগেই তো ছেলেটা শেষ হয়ে গেল। আমাদের সবার কাছে এটা একটা বড় শিক্ষা। আমাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় যাচ্ছে, কি করছে? তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তারপরেও এতবড় রিস্ক থেকে যায়। এটাই চিন্তার বিষয়।

মে ১৪, ২০২৫
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের স্ত্রী বিঙ্কু মজুমদারের পুত্রের রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য

দিলীপ ঘোষকে বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই শোকে পাথর হয়ে গেলেন রিঙ্কু মজুমদার। রিঙ্কুর ছেলে সৃঞ্জয় মজুমদারের রহস্যমৃত্যতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্র মারফত খবর, সাত সকাল বেলা শাপুর্জী আবাসনের ই ব্লক ঘর থেকে নিথর দেহ উদ্ধার হয় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় নিউটাউনের বেসরকারি হাসপাতালে। সেখান থেকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরে দেহটিকে ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অর্থাৎ অটোপসি রিপোর্ট পাওয়ার পরেই বোঝা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ কি।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন সৃঞ্জয়। জানা গেছে, সল্টলেকের একটি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার কর্মী ছিলেন বছর ছাব্বিশের সৃঞ্জয়। তাঁর ডাকনাম প্রীতম। মাসখানেক আগেই রিঙ্কু মজুমদার ও দিলীপ ঘোষের বিয়ের সময়ে সামনে এসেছিল রিঙ্কুর ছেলে সৃঞ্জয়ের কথাও। সে সময়ে তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ছুটি নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার কথা তাঁর। হোটেল ও আনুষঙ্গিক সব বুকিং হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। কিন্তু সেই সঙ্গেই জানিয়ে ছিলেন, মায়ের বিয়েতে খুবই খুশি ছিলেন তিনি।

মে ১৩, ২০২৫
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
রাজনীতি

টানা হুমকি দিলীপ ঘোষের, বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, সরগরম খড়্গপুর

দিলীপ বচন নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। এবার হুঁশিয়ারের বিরুদ্ধে খড়্গপুরে তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল কংগ্রেস। বাড়িতে ঢুকে মেরে আসবো, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের মন্তব্য়ের প্রতিক্রিয়ায় খড়্গপুরের কাউন্সিলর ও প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেছেবন, তৃণমূল কংগ্রেস চুরি পরে বসে নেই। কিন্তু দিলীপ ঘোষও ছাড়ার পাত্র নন। তাঁর বাড়ির সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভের পর তিনি বলেছেন, আমি থাকলে বিশেষ ট্রিটমেন করতাম। শনিবার বেলা বাড়তেই খড়্গপুরে দিলীপ ঘোষের বাড়ির বাইরে জড়ো হয় একদল তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। বিজেপি নেতার গ্রেফতারি চেয়ে স্লোগান দিতে থাকে তৃণমূল। সেই সময় দিলীপ ঘোষ বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মীরা ছিলেন। দুদল কর্মীর মধ্যে হাতাহাতিও হয়। তবে তাঁর বাড়িতে বিক্ষোভ হচ্ছে শুনে ফের পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ। এবার তিনি বলেন, খড়্গপুর কারও বাপের জায়গা নয়। দিলীপ ঘোষ কারও পরোয়া করে না। আগে জানিয়ে আসতে পারত, তাহলে ট্রিটমেন্টটা তৈরি রাখতাম।প্রসঙ্গত, শুক্রবার খড়্গপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ এলাকায় যাওয়ার আগেই সেখানে আগেভাগে জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন বেশ কিছু মহিলা। তিনি যেতেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। তাঁদের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় দিলীপ ঘোষের। এমনকী উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় পর্যন্ত হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শনিবার সকালে তৃণমূলকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় দিলীপ ঘোষকে।তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এই ধরনের বেয়াদপি যদি কেউ করতে আসে, সে যে পার্টিরই হোক, তাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে রাস্তায় পিটাব, সে যত বড় নেতাই হোক। দিলীপ ঘোষ কারও বাপের খায় না, কারও জমিদারিতে পা দেয় না। দিলীপ ঘোষের মেজাজ এমনই থাকবে। তৃণমূল যদি মনে করে এই রাজনীতি খড়গপুরে শুরু করবে, কাল থেকে শুরু করছি...বাড়িতে ঢুকে মারব, না হয় বাড়ি থেকে টেনে এনে চৌরাস্তায় মারব। BJP নেতার হুঙ্কারের পরই খড়্গপুরের রাজনীতি উত্তাল হতে থাকে।এদিকে, তৃণমূল নেতা প্রদীপ সরকার বলেন, তৃণমূল চুড়ি পরে নেই। তৃণমূল চাইলে দিলীপ ঘোষ এলাকায় বেরোতেই পারত না। উনি বাইরে থেকে এসেছেন, খড়্গপুরকে আগে জানুন। আগামীদিনে যা বলবেন ভেবে বলবেন, আগামিদিনে উনি খড়্গপুরে ঢুকতেই পারবেন না, যদি তৃণমূল চায়।

মার্চ ২২, ২০২৫
কলকাতা

এক ফ্রেমে দিলীপ-শুভেন্দু, মমতাকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতার, বললেন, 'কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতা যাবেন সেখানে'

২০২৬ বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজ্যে পুরো দস্তুর নির্বাচনী দৌত্য় শুরু হয় গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল ছিলেন দিল্লিতে, এদিন রাজ্য বিধানসভা চত্বর একেবারে হুলস্থূল। আবারও শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোকে ফের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও বিধানসভার চলতি অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিরোধী দলনেতাকে ৯ মাস বাইরে রেখেছেন। আর তো দুটো সেশন আছে। একটা বাদল অধিবেশন ও আর একটা শীতকালীন অধিবেশন। তারপরে তো দুদিনের ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তারপরে নির্বাচন। তারপর আপনারা প্রাক্তন। কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতাও যাবেন সেখানে। আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরোধী নই। আমরা তৃণমূলের নীতির বিরোধী।এদিকে আজই শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে কাগজ ছোঁড়ার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিশ্বনাথ কারক এবং বঙ্কিম ঘোষকে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন অধ্যক্ষ। তবে বিরোধী দলনেতা এদিন জানিয়েছেন তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। সেই কারণেই চলতি অধিবেশনে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।এদিনই শুভেন্দু অধিকারীর আমন্ত্রণে বিধানসভায় যান বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ককে এদিন বিধানসভায় যেতেই তাঁকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে বিধানসভায় স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় হৈ হট্টগোল নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমাদের বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানতে চেয়েছিল, সাঁইথিয়া শহরে কেন ইন্টারবনেট বন্ধ। সেই প্রশ্নেই যত রাগ শাসক শিবিরের। বিধানসভা গেটে প্ল্যকার্ড নিয়ে বিক্ষোভও দেখান শুভেন্দু অধিকারীরা।

মার্চ ১৮, ২০২৫
রাজনীতি

শুভেন্দু-দিলীপ সাক্ষাতে নয়া জল্পনা, জন্মদিনে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিকে শুভেচ্ছা কুণালের

লোকসভার ফল বের হওয়ার পর বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপির বিজেপির প্রার্থীর বক্তব্যে আগুন ঝড়ছিল। দলে তাঁর বিরুদ্ধে কাঠি করা হয়েছে। তাঁর জয়ী আসন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিলীপের বক্তব্যের নিশানায় কে ছিলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী না সুকান্ত মজুমদার? তা নিয়ে কম জল্পনা ছড়ায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার নিজের জন্মদিনে সটান গিয়ে হাজির হয়েছেন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এর আগে এদিন জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছিল সল্টলেকে এমএলএ-এমপি আদালতে।দীর্ঘদিন পর বিধানসভায় গেলেন দিলীপ ঘোষ। শুভেন্দুর ঘরেই পালন করা হয় দিলীপ ঘোষের জন্মদিন। দিলীপ ঘোষের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে দেন শুভেন্দু। নিজে হাত দিয়ে শুভেন্দু মিষ্টি খাইয়ে দেন দিরীপ ঘোষকে। দিলীপবাবুও মিষ্টি মুখ করান শুভেন্দুকে। রীতিমতো স্লোগান দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষের নামে। তবে কি শুভেন্দু-দিলীপ ঠান্ডা যুদ্ধের অবসান ঘটল? এই সাক্ষাতের মধ্যে ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল। দুবছরের মধ্যে লোকসভা নির্বাচন। সেদিকে প্রধান লক্ষ্য বিজেপির। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন সাংসদ তথা গেরুয়া দলের লড়াকু নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। লকেট লিখেছেন, লড়াকু নেতা, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষ মহাশয়ের জন্মদিনে প্রণাম এবং শুভেচ্ছা জানাই।এদিকে আজ সকালেই সল্টলেকে MLA-MP কোর্টে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা হয় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের। দুজনেই সেখানে গিয়েছিলেন হাজিরা দিতে। দিলীপ ঘোষকে দেখে এগিয়ে যান কুণাল। দুজনকে করমর্দন করতেও দেখা যায়। বিজেপি নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তবে বিধানসভায় শুভেন্দুর ঘরে দিলীপের সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০১, ২০২৪
রাজ্য

দিলীপ ঘোষ ও কীর্তি আজাদের কোলাকুলিই সার, শেষমেশ গাড়ির কাচও ভাঙলো বিজেপি প্রার্থীর

দিনভর হামলার মুখে পড়ছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। বর্ধমানের কালনা গেট কপিবাগান এলাকায় দিলীপের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সংঘর্ষে মাথা ফাটল বিজেপি প্রার্থীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক জওয়ানের। দিলীপের দাবি, মোট দুজন জওয়ান আহত হয়েছেন। পাল্টা তাদের চার তৃণমূল কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দিলীপের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের বিরুদ্ধে।বিকেলের দিকে একটি বুথে যাওয়ার সময় দিলীপের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। কপিবাগানে দিলীপের গাড়িতে ইট ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। দেখা যায়, দিলীপের গাড়ির পিছনের দিকের কাচ ভেঙে গিয়েছে। বিজেপি প্রার্থী জানান, তিনি বুথে গোলমালের খবর পেয়ে কপিবাগানে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অশান্তির জেরে বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। গন্ডগোলেট খবর পেয়ে বেশ কিছু ক্ষণ পরে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী যায় ঘটনাস্থলে। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। আপাতত ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে খবর।বিজেপি এজেন্টকে বুথ থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তুমুল অশান্তি হয় মন্তেশ্বরের তুল্ল্যা গ্রামে। বিজেপি প্রার্থী দিলীপকে ঘিরে বিক্ষোভ, ইট ছোড়া এমনকি তাড়া করারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে একাধিক সংবাদমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুশুনিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় ওই গন্ডগোল নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের এক কর্মীকে বিজেপির লোকেরা মেরে রক্তাক্ত করেছে। তার পরেই বিক্ষুদ্ধ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা দিলীপের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। তখন গো ব্যাক, জয় বাংলা স্লোগানও দেওয়া হয় দিলীপকে ঘিরে। ওই ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তোলেন দিলীপ। যদিও তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করে।ভোট শুরুর পর থেকেই বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভার নানা জায়গায় অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। দুই যুযুধান প্রার্থী, বিজেপির দিলীপ এবং তৃণমূলের কীর্তি আজ়াদ দুজনই কোলাকুলি করে সৌজন্য বিনিময় করেন। তবুও দুই দলের কর্মীদের মধ্যে সেই সৌজন্যের ছোঁয়া মেলেনি। যত বেলা গড়িয়েছে, ততই একের পর এক গন্ডগোলের খবর সামনে আসছে। কীর্তির অভিযোগ, যেখানেই দিলীপ ঘোষ যান, সেখানেই উত্তেজনা ছড়ায়। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু তারা কর্ণপাত করেনি।

মে ১৩, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যপাল থেকে কুণাল ইস্যু, সাতসকালে নিজস্ব মেজাজে দিলীপ ঘোষ

শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃ ভ্রমণে আসেন বর্ধমান -দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। প্রাতঃ ভ্রমণকালীন স্বমহিমায় প্রাক্তন বঙ্গীয় বিজেপি সভাপতি, দিলেন বর্তমান ইস্যু সম্বন্ধীয় একের পর এক প্রশ্নের উত্তরঃরাজ্যপাল ইস্যুঃতৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত ব্যাক গ্রাউন্ড তৈরি করেছে। এগুলো তারাই করছে। সবাই জানে এই লোকেরা এই কারণেই ওখানে গেছে। পুরো স্ক্রিপ্ট তৈরি ছিল। তৃণমূল একাই চেঁচাচ্ছে। আর কারুর কোনো টেনশন নেই। কারণ আর সবাই জানে এর পিছনে কে আছে। তৃণমূল এবং সরকারের অপকীর্তির বিরুদ্ধে বললে এটা হয়। ওনার বিরুদ্ধে এখনও কোনো কেস করতে পারেনি ওরা। কালো পতাকা দেখিয়েছে, গো ব্যাক বলেছে। কিছু হয়নি। এখন এটাই শেষ অস্ত্র। তৃণমূল কথায় মহিলা মহিলা বলে। মহিলাদের সম্মান করেনা। তাদের ব্যবহার করে। এখানেও একজন মহিলাকে ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশ তো তদন্ত কমিটি করবেই। আমার বিরুদ্ধে আপনি একটা অভিযোগ করুন। তদন্ত দল তৈরি হয়ে যাবে। বাকি হাজার কোটি লুঠ খুন ধর্ষণ সেখানে কতজন গ্রেফতার হয়েছে? তারা বাড়ি থেকে তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা করে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছে। পুলিশ কি করেছে? পুলিশের কি যোগ্যতা? এবং সরকারের কি ইচ্ছা, সবই আমরা জানি। সম্মানীয় মানুষকে কীভাবে অপমান করতে হয়, তৃণমূল তা দেখিয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি সহ কাউকেই অপমান করতে ছাড়েনি। এমনকি হাইকোর্টের মহিলা বিচারকের স্বামী কে সিআইডি দিয়ে ডেকে পাঠিয়েছে। তৃণমূলের এই নিকৃষ্ট রাজনীতি একদিন তাদের পতনের কারণ হবে।কুনাল ঘোষ ইস্যুঃএসব মক ফাইট। এসব নিয়ে আমরা ভাবছি না। অন্নদাস দের কথার গুরুত্ব নেই। ওই বাড়িতে থাকব, খাবো, লাথি খাবো। ওখানেই থাকব। আবার মুখ খুলব, দুটো একসঙ্গে হতে পারে না। রাস্তায় নামুন। দম থাকলে বেরিয়ে এসে লড়াই করুন। পার্থ চ্যাটার্জি অনেক কিছু বলেছেন কুনাল নিয়ে। এটা ওদের পুরোনো ঝগড়া, বাড়ির ঝগড়া, স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া কেউ রাস্তায় নিয়ে আসে?৭ মে মুর্শিদাবাদে ভোটঃওখানে আইন শৃংখলা বলে কিছু নেই। মুর্শিদাবাদ কে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলাদা করার চেষ্টা চলছে। সমস্ত ক্রিমিনাল এবং অ্যান্টি ন্যাশনাল অ্যাকটিভিটি ওখানে চলছে। তৃণমূল চায় ভোট টা ওদের দিয়ে দিক। বাকি যা খুশি হোক।বিজেপি কর্মীদের ওপর সিউড়িতে হামলাঃনতুন কিছু নয়। ভয় দেখানোর চেষ্টা। এই ভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেই আজ বিজেপি এই জায়গায় পৌঁছেছে। এবার লাস্ট ধমক চমক চলছে। এরপর কি হবে আমরা ঠিক করব।দুই থানার ওসি বদলঃআরও অনেকে আছে। বর্ধমান জেলায় এরকম দুজন আছে। তাদেরকে আরও বেশ কিছু বছর চাকরি করতে হবে। দিদির আঁচলের তলায় বেশিদিন বসে থাকতে পারবেন না। তারপর খোলা মাঠে আসতে হবে। তখন আমরা হিসেব বুঝে নেব।

মে ০৪, ২০২৪
রাজ্য

ধরা পড়লেই বিজেপির চক্রান্ত, কেন বললেন দিলীপ ঘোষ

সরকারি কর্মী আন্দোলনের নেতা ভাষ্কর ঘোষকে মারধর প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, এটা প্রথম নয়। এই সরকার হিংসা আর দুর্নীতি দিয়েছে। আর কিছু দিতে পারেনি। আপনি কিছু চাইলে আপনাকে গলা ধাক্কা, কেস, অপমান। এর আগে ডিএ নিয়ে দাবি তোলায় একই ঘটনা ঘটেছিল। মহিলাদের ও ছাড়া হয়নি। আমরা দেখেছি, ওরা রাস্তায় শুয়ে আছে। জলে কাদায়। কি বাকি রেখেছেন? একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির আন্দোলনে? তাদের কথা শোনার কেউ নেই। ভাস্করদের লড়াই থামবে না। এই লড়াই এই অত্যাচারী শাসককে একদিন লাইনে আনবে। পুলিশের যুক্তি ছেঁদো কথা। তারা কেউ পুলিশকে মারতে যায়নি। পুলিশ ওদের আন্দোলনে বাধা দিয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে কেস হাওয়া উচিৎ। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গলা টিপে ধরলে মানুষ বিচার করবে। সব বিজেপির চক্রান্ত, বলছে শেখ শাহাজাহান। আপনি কি বলবেন?উনি যখন খুন করছিলেন, মহিলাদের ওপর অত্যাচার করছিলেন, তখন মনে ছিল না একদিন জেলের ভাত খেতে হবে। ধরা পড়লেও বিজেপির চক্রান্ত? ওখানে মহিলারা রাস্তায় ঝাঁটা নিয়ে বেরিয়েছিল কেন? কোথায় বিজেপি তখন? বিজেপি তো ঢুকতেই পারেনি। আপাতত জেলে থাকো। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলে বেরোতে পারবে। বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে কীর্তি আজাদকে। সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে দিলীপ বলেন, ভালো তো। জিতে আসুন। ওনার দূর্ভাগ্য। ওনাকে তৃণমূল এমন ফাঁসিয়েছে, উনি আর বেরোতে পারছেন না। রেজাল্ট হলে বুঝতে পারবেন। কঠিন ফাঁদে পা দিয়েছেন। ওনার পার্টি ওনাকে সাহায্য করছে না। আমি যদি উল্টে বলি, ওনার পার্টির লোকেরা আমাকে সাহায্য করছে। কীর্তি আজাদের বাংলার রাজনীতি বুঝতে সময় লাগবে। উনি বারবার আমার পিছনে লাগছেন। লোক ভাবছে ও জিতলে আর ওকে দেখতে পাবো? দিলীপ ঘোষ মানুষের সঙ্গে আছে। আন্দামান আমার পুরোনো জায়গা। একদিনের জন্য আজ যাচ্ছি। কাল ফিরে আসব। রচনা-লকেট দ্বৈরথ নিয়ে তিনি বলেন, রচনা শিল্পের কি বোঝেন? সিনেমা করেন। সিনেমা শিল্প টাই দেখুন। লকেট এর সঙ্গে রচনার তুলনাই হয়না। লকেট সিনেমা করার পর কয়েক বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে রাজনীতি করছে। লোকসভায় জিতেছে। পার্টি স্বীকৃতি দিয়েছে। সাফল্যের সঙ্গে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই লকেট অনেক এগিয়ে। বাকিটা ওখানকার মানুষ ঠিক করব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজনীতি

"রোদে এমন চেহারা হবে বাড়ির বউ চিনতে পারবে না", কেন বললেন দিলীপ ঘোষ

যারা কলকাতার বাইরে যায় না, তারা রাজনীতির কি বোঝে? যারা বলছে তারা একটু বাইরে বেরিয়ে দেখুক। রোদে এমন চেহারা হবে বাড়ির বউ চিনতে পারবে না। অনেকে সারা বছর স্টেটমেন্ট দেয়। আমি একবার দিলে তাদের বরাবর হয়ে যায়। আমি প্রেস মিট করি না, আমি ডিবেট শো তে যাই না। দিলীপ ঘোষ কি রাজনীতি করে এটা বাংলার মানুষ জানে। ওরাও আসুক। দেখা যাবে কাকে দেখতে লোক বেরোয়।তিনি আরও বলেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে ফলো করি। সংস্কৃতে একটা কথা আছে মহাজনো যেন গতঃ সঃ পন্থাঃ। উনি নিজে, ওনার পার্টির নেতা, মন্ত্রী, আগে যারা নেতা ছিল, তাদের কমেন্টগুলো শুনুন। বাংলায় এটাই ট্রেন্ড। এটাই লোকে সহজে বোঝে। ওনারা যে এগুলো হজম করতে পারবেন না, ওদের যে হজম শক্তি এতো কম, এটা আমি জানতাম না।*ময়নাগুড়ি তে ত্রাণ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে। কি বলবেন?সরকার ফুটো হয়ে গেছে। তারা ভালো হাঁড়ি দেবে কীভাবে? রাজ্যকে রেকর্ড টাকা দিয়েছি: মোদী। রাজ্য তো বলছে কেন্দ্র টাকা দেয় না।কেন্দ্র কি দিয়েছে সেটা ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন। এই সরকার সেই টাকা দিয়ে কি করছে সেটাও সিএজি রিপোর্টে পেয়ে যাবেন। ফলে মিথ্যা কথা বলে পার পাওয়া যাবে না। এমন ভাব করছে যেন টাকা ওখানে জমা রেখেছে। চাইলেই দিয়ে দেবে আর লুঠ করে খাবে। এই টাকা দিয়ে ভোট কেনার অধিকার কেউ দেয়নি। বোস বনাম ব্রাত্য। বেশ বিতর্ক দেখা দিয়েছে।মজার ব্যাপার। এরা রাজ্যপালকে আর কমিশনকে গালাগাল দেবে। ওগুলো নাকি বিজেপি অফিস। আবার ঠেলায় পড়লে সকাল বিকেল এরা কাকা বা মেসোর বাড়ি দৌড়াবে। রাজ্যপালের সঙ্গে ভাব করলেন। অ আ ক খ শেখালেন। তারপর আবার সেটা মাটি হয়ে গেল। আবার সেটিং করলেন। গিয়ে চা খেলেন। আবার কি হল? আসলে আপনারা এমন লোক যে আপনাদের সঙ্গে কোনও ভদ্রলোক বেশিদিন থাকতে পারে না। রোজ ঝগড়া হবে। আবার ঠেলায় পড়লে দৌড়াবেন। এটাই দেখে আসছি আমরা। বাহিনী আরও ৩ মাস?আমরা বিধানসভার সময় একই দাবি জানিয়েছিলাম। ফল পাইনি। গুণ্ডারা ওপেন বেরিয়ে এসে খুন খারাপি করছিল। মানুষের মনে হয়েছে বাহিনী থাকলে কিছু করলেও করতে পারে। বাহিনী ব্যাবহার করে এখানকার পুলিশ। পুলিশের যেমন ভূমিকা বাহিনীর তাই-ই ভূমিকা হয়ে দাঁড়ায়। প্রশাসন না চাইলে কি ভাবে হিংসা বন্ধ হবে?আমি না থাকলেই সব বন্ধ: মুখ্যমন্ত্রী!উনি তো এটাও বলেছেন যে সব জায়গায় উনিই মুখ। ওনার মুখ মানে তো সন্দেশখালি। কেউ তো মুখ দেখতে চায় না। তাই ব্যান্ডেজ বেঁধে এদিক সেদিক ঘুরতে হয়। আমিও চলাসার ছবি দেখে চিনতে পারছি না। এটা পুরনো ছবি না নতুন ছবি। উনিও বুঝেছেন ছবি পাল্টাতে হবে। এই ছবি দিয়ে আর চলছে না। দেখা যাক ভোটের আগে আর কি কি হয়।ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়ে আপত্তি মমতার। কেন এমব বলছেন?উনি বলেছিলেন জিএসটি করতে দেব না। শেষে মেনে নিলেন। দেখলেন লাভ পাচ্ছেন। উনি বলেছিলেন সিএএ করতে দেব না। এরকম উনি বলেন। উনি ওনার সরকারটাই ভালো করে চালাতে পারেন না। মানুষও আজকাল ওনার কথা সিরিয়াসলি নেয় না। গ্যারান্টি মোদী দেবেন। মোদীর গ্যারান্টি এখন দেশে চলছে। কাকে বিয়ে করতে হবে বিজেপি ঠিক করে দেবে নাকি? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন।যেটা উনি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করুন। যেটা উনি নিজে সারাজীবন ঠিক করতে পারেননি। সেটা ঠিক করতে হবে তো। বিজেপি কোনও ধর্মীয় বা ব্যাক্তিগত আক্রমণ করে না। উনি মিথ্যা বলে এতদিন লোক ক্ষেপিয়ে এসেছেন। এখন সেটা ধরা পরে গেছে। নওশাদ এর ইউ টার্ন। ফের বিতর্ক।এই সব সেটিং। শুধু ডায়লগ। লোকে এখন এদিক ওদিক তাকাচ্ছে না। গো স্ট্রেট। গো ফর বিজেপি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বাংলার ১৯ কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা কোন কেন্দ্রে?

শেষমেশ বাংলায় ১৯ লোকসভা আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে এখনও ৪ আসনের ঘোষণা বাকি রইল। রবিবারে রাতে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে ঘোষণা করা হয় এই তালিকা। প্রত্যাশা মতোই প্রার্থী করা হয়েছে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা তাপস রায় এবং অর্জুন সিংকে। প্রার্থী করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে।বড় চমক হিসাবে কৃষ্ণনগরে প্রার্থী করা হয়েছে রাজপরিবারের রাজমাতা অমৃতা রায়কে। দমদমে প্রার্থী করা হয়েছে বারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শীলভদ্র দত্তকে। দক্ষিণ কলকাতা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীকে। মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপকে পাঠানো হয়েছে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে।একনজরে ১৯ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী তালিকা উত্তর কলকাতা তাপস রায়দক্ষিণ কলকাতা- দেবশ্রী চৌধুরীদমদম শীলভদ্র দত্তব্যারাকপুর অর্জুন সিংবর্ধমান-দুর্গাপুর দিলীপ ঘোষবর্ধমান পূর্ব অসীম সরকারমেদিনীপুর অগ্নিমিত্রা পালরায়গঞ্জ কার্তিক পালশ্রীরামপুর কবীর শঙ্কর বোসআরামবাগ অরূপকান্তি দিগারতমলুক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়বসিরহাট রেখা পাত্রবারাসত স্বপন মজুমদারকৃষ্ণনগর অমৃতা রায়জলপাইগুড়ি জয়ন্ত রায়দার্জিলিং রাজু বিস্তাজঙ্গিপুর ধনঞ্জয় ঘোষমথুরাপুর অশোক পুরকাইতউলুবেড়িয়া অরুণ উদয় পাল চৌধুরী

মার্চ ২৪, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালী কাণ্ডে মাস্টারমাইন্ড শেখ শাহজাহান গ্রেফতার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন......

পুলিশের একটা ছিঁচকে মস্তান ধরতে ৫৭ দিন লাগল। তাহলে রাঘব বোয়ালদের তো পুলিশ কোনোদিন ধরবে না। নেতারা বলছেন ১ সপ্তাহ। পার্টির নেতারা ঠিক করে দিচ্ছেন কাকে কখন ধরতে হবে। ওখানকার মানুষ নিরন্তর লড়াই করেছেন। সাধারণ মানুষের দাবী অবশেষে পুলিশ মেনেছে। শুভেন্দু অধিকারী বলে দিয়েছেন। খবর ছিল। এটা সবাই জানে। সর্বভারতীয় চাপের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে। সারা দেশ জুড়ে ন্যাশনাল চ্যানেলে এই নিয়ে চর্চা হচ্ছিল। সবাই আমরা জানতাম ওখানেই আছে।কোর্টের কানমলা খেয়ে অবশেষে ধরতে বাধ্য হল। পুলিশ কেই ধরতে হতো। ইডি ওখানে জলে জঙ্গলে গিয়ে ধরতে পারত না। মুস্কিল ছিল। পুলিশের হাতেই ছিল। পুলিশই ধরেছে। আমরা গোড়া থেকেই বলছিলাম, পুলিশ জানে ও কোথায়। এখন বাধ্য হয়ে তাকে ধরা হয়েছে। এটা আগে হলে বিষয়টা বাড়ত না। এবার ওখানকার লোকেরা ঠিক করবেন তাদের জমি বাড়ি সব টাকা লুঠ হয়েছে সেগুলো তারা কীভাবে ফেরত চাইবেন। আমাদের ৪ কর্মী খুন হয়েছে। আমরা শাহাজাহানের নামে FIR করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ তখন নেয়নি। এবার নিতে হবে। হাজার হাজার কোটি লুঠ হয়েছে। এটা প্রসেস শুরু হল। তৃণমূল জানে এবার পরপর লিস্ট আসবে। একদিন না একদিন তাদের সবাইকেই ধরতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জাহাঙ্গিরকে নিশানা করে শুভেন্দুর কড়া বার্তা! ফলতায় ভোটের আগে বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

২১ মে ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচন। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাজনৈতিক সভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সভা থেকেই তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।ফলতার সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, কোথায় পুষ্পা? দেখা পাওয়া যাচ্ছে না কেন? এবার কাউকে অশান্তি করতে দেওয়া হবে না। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে ১৯ জন কুখ্যাত অপরাধীর নাম ছিল, সেখানে জাহাঙ্গির খানের নামও রয়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভার একাধিক বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গোটা ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে সেখানে ভোটগ্রহণ হবে।ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, ওই ডাকাতটা কোথায়? পুষ্পা না কী যেন নাম! সাধারণ নির্বাচনের সময় যত অভিযোগ এসেছে, সব কিছুর ব্যবস্থা হবে।এদিন নাম না করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর দাবি, ফলতায় এসে বহু মানুষ তাঁকে জানিয়েছেন, ভাইপো যতদিন ছিলেন, ততদিন মানুষ ঠিকমতো ভোট দিতে পারেননি। তবে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শুধু তাই নয়, ফলতায় বিজেপি জিতলে এলাকার জন্য বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থীকে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আহ্বানও জানান তিনি।সভা থেকে শুভেন্দু আরও দাবি করেন, কলকাতায় একাধিক সম্পত্তির তথ্য তাঁর হাতে এসেছে। তিনি বলেন, মাননীয় ভাইপোবাবু, কলকাতায় ২৪টি সম্পত্তির তথ্য পেয়েছি। আমতলায় বিশাল অফিস রয়েছে। সব হিসাব হবে।অভয়ার প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময় প্রমাণ লোপাট এবং ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় যাঁরা অত্যাচার ও অশান্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি জানান, পুলিশকে কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ রেহাই পাবেন না বলেও কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুইসাইড অ্যাটাক করে শুভেন্দুকে খুনের হুমকি! রাতারাতি পুলিশের জালে সন্দেহভাজন

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। একটি ইমেলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়তেই দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ তারিখ ভবানীপুর থানায় একটি ইমেল আসে। ওই ইমেলে আবিদা আলি নামে এক মহিলার নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়, আল কায়দার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উপর আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে।এই অভিযোগ সামনে আসতেই তৎপর হয় পুলিশ। তদন্তে নেমে গার্ডেনরিচ থানার সাহায্যে শুক্রবার রাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের নাম হাসনিন ইকবাল। পুলিশের দাবি, জেরায় সে স্বীকার করেছে যে ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই আবিদা আলির নাম ব্যবহার করে এই ইমেল পাঠানো হয়েছিল।পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগেও এই ধরনের একাধিক ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর ইমেল পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।লালবাজারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভুয়ো তথ্য ছড়ানো বা আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ওই এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছিল। এই হুমকির ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন আরও সতর্ক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মে ১৬, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা! গ্রেপ্তার বিধায়কের দাদা, চাঞ্চল্য ক্যানিংয়ে

মাঝরাতে বাড়িতে পুলিশি অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ক্যানিংয়ে। গ্রেপ্তার করা হল ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের দাদা উত্তম রায়কে। তিনি ক্যানিং ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পুলিশ সূত্রে দাবি, গ্রেপ্তারের সময় বাধা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে ধৃতের পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির মহিলা সদস্যদেরও মারধর করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, উত্তম রায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন-সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের দিন ৪ মে ক্যানিং এলাকায় গুলি চলার ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছিলেন বলে দাবি পুলিশের। এলাকায় ভয় এবং আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির অভিযোগও রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে।শুক্রবার গভীর রাতে ক্যানিং থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা উত্তম রায়ের বাড়িতে পৌঁছয়। তারপর তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস। তিনি বলেন, রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বদলে সকালে থানায় ডাকা যেত। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে মহিলা সদস্যদের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।যদিও উত্তম রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে পরিবার। তৃণমূল বিধায়কের দাবি, যেসব ধারায় মামলা করা হয়েছে, তা হওয়া উচিত হয়নি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ধৃতের শারীরিক পরীক্ষা করানোর পর আলিপুর আদালতে তোলা হবে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে পুলিশ।এদিকে, অন্য একটি ঘটনায় কয়লার ডিও থেকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্ডাল ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি কাঞ্চন মিত্রকে। অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লার ডিও থেকে টাকা তোলার পাশাপাশি এলাকায় ভয় দেখানো এবং জমি কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মহম্মদ মোজাম্মেল নামে আরও এক ব্যক্তি। শুক্রবার রাতে অন্ডাল থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।রাজ্যের একাধিক জেলায় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পুলিশি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘নেপথ্যের আসল কারিগর মিঠুন’! মুখ্যমন্ত্রীর মুখে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলাজুড়ে লাগাতার প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একের পর এক সভা, বৈঠক এবং প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সেই জয়ের পর এবার বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার সকালে নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে যান শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগেই তিনি মহাগুরুর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা কথা হয় দুজনের মধ্যে।মিঠুনকে বিজেপির জয়ের অন্যতম নেপথ্য কারিগর বলেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, বাংলাকে বাঁচানো, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং মা-বোনেদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। গত কয়েক মাস ধরে তিনি একের পর এক সভা, বৈঠক ও প্রচার করেছেন। শুধু বড় মঞ্চ নয়, মাইক্রো স্তরেও কাজ করেছেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, জনগণের আশীর্বাদ এবং দলের সিদ্ধান্তে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু এই জয়ের পিছনে যাঁদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিঠুন চক্রবর্তী।কেন আচমকা মিঠুনের বাড়িতে গেলেন, সেই কারণও স্পষ্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, জয়ের পর মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। তখনই শুভেন্দু বলেন, তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মিঠুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই শনিবার সকালে নিউটাউনে যান তিনি।এই বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়, তবে কি বিজেপি সরকারে কোনও বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কোনও পদ নিয়ে মিঠুনের আগ্রহ নেই। দল তাঁকে ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী। হাসিমুখে শুভেন্দুর কাঁধে হাত রেখে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পেতে পারত না। শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মিঠুন আরও বলেন, আগামী দিনেও মানুষ বুঝতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী কেমনভাবে রাজ্য চালাচ্ছেন। তাঁর কথায়, শুভেন্দু একজন যোদ্ধা এবং তিনি সবসময় তাঁর পাশে থেকে লড়াই করবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও নতুন বিজেপি সরকারের প্রশংসা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়েই ডায়মন্ড হারবারের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফলতায় বড় ধাক্কা! গ্রেপ্তার জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা, চরম উত্তেজনা এলাকায়

পুনর্নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগেই ফলতায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল নেতা এবং ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুল খান। তিনি পুষ্পা জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ফলতা থানার পুলিশ শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইদুল খানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই পুলিশ তাঁর বাড়িতে হানা দেয় এবং গ্রেপ্তার করে।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে। ভোট গণনা হবে ২৪ মে। এর মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে সরিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। এরপর ফলতায় তাঁর কর্মিসভা রয়েছে। আগামী ১৯ মে প্রচারের শেষ দিনে ফলতায় মুখ্যমন্ত্রীর রোড শো হওয়ার কথাও রয়েছে। ফলে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।এই আবহেই দীর্ঘদিন পর শুক্রবার প্রকাশ্যে দেখা গেল ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে। সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে শ্রীরামপুরে নিজের দলীয় কার্যালয়ে যান। উল্লেখ্য, ২৯ এপ্রিল ওই অফিস থেকেই ভোট পরিচালনা করেছিলেন তিনি।বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ওই দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেখানে বিজেপির পতাকাও লাগানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুক্রবার ফের নিজের অফিসে গিয়ে জাহাঙ্গির খান দাবি করেন, তিনি কোথাও পালিয়ে ছিলেন না।জাহাঙ্গির বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই এলাকার শান্তি বজায় রাখতে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। তাঁর কথায়, পুলিশ তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এতদিন বাড়িতেই ছিলেন।ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ১৬, ২০২৬
দেশ

আজ দুপুরে থমকে যেতে পারে ওলা-উবার-সুইগি! দেশজুড়ে গিগ কর্মীদের বড় ধর্মঘট

আজ, ১৬ মে দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন গিগ কর্মীরা। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ওলা, উবার, সুইগি, জোম্যাটো-সহ বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত চালক ও ডেলিভারি কর্মীরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়েছেন।গিগ কর্মীদের দাবি, লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানির খরচ বাড়তে থাকায় বর্তমান আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে। গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম সার্ভিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের বক্তব্য, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি দেশের প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ গিগ কর্মীর জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় কাজ করতে হওয়ায় ডেলিভারি কর্মী ও ক্যাব চালকদের খরচ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ইউনিয়নের অভিযোগ, জ্বালানির দাম বাড়লেও সংস্থাগুলি তাদের পারিশ্রমিক বাড়াচ্ছে না। সেই কারণে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন তারা। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কাছে প্রতি কিলোমিটারে ন্যূনতম ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।গিগ কর্মীদের একাংশের দাবি, দ্রুত কোনও সমাধান না হলে বহু কর্মী কাজ ছাড়তে বাধ্য হবেন। ইউনিয়নের প্রতিনিধি নির্মল গোরানা জানিয়েছেন, মহিলা কর্মী, ডেলিভারি এজেন্ট এবং চালকেরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। প্রচণ্ড গরম, যানজট এবং দীর্ঘ সময় কাজের চাপের মধ্যে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে তাদের।আজকের ধর্মঘটের ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ক্যাব পরিষেবা এবং খাবার সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রী এবং সাধারণ গ্রাহকদেরও সমস্যায় পড়তে হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ এন্ট্রি! অভিষেকের গড়ে কী বড় ঘোষণা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

প্রথম বড় প্রশাসনিক বৈঠক করতে এদিন ডায়মন্ড হারবারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুর ১টায় পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিধায়কদেরও ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে চলতি উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার বিধায়কদের নিয়েও আলাদা বৈঠক করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দিনে কীভাবে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়, তা নিয়েও পর্যালোচনা হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠক থেকেই একাধিক নতুন প্রকল্প বা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছনোর সময় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই কারণে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা। যে আবাসিক হোটেলে প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা, সেখানে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।রাজনৈতিক দিক থেকেও এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ডায়মন্ড হারবার। ডায়মন্ড হারবার মডেলকে সামনে রেখে একসময় প্রচারে জোর দিয়েছিল তৃণমূল। সেই কেন্দ্র থেকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।ডায়মন্ড হারবারের কর্মসূচি শেষ করে এদিন ফলতায়ও যাওয়ার কথা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে ভোটের আগে একটি কর্মিসভায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

মে ১৬, ২০২৬
দেশ

বড় সুখবর! সময়ের আগেই দেশে ঢুকছে বর্ষা, গরম থেকে মিলবে স্বস্তি

প্যাচপ্যাচে গরম থেকে খুব শীঘ্রই মিলতে পারে স্বস্তি। সময়ের আগেই দেশে ঢুকতে চলেছে বর্ষা। এমনই বড় ঘোষণা করেছে আবহাওয়া দফতর। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে দেশের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। সাধারণত ১ জুন কেরলে বর্ষা ঢোকে। তবে গত বছরের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষার আগমন ঘটতে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষার প্রবেশ শুরু হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তার জেরেই সক্রিয় হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদদের মতে, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু উপকূলে দুটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।আজ উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দার্জিলিং-সহ পাহাড়ি এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।আগামীকাল রবিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবারও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে পশ্চিমের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই আগামী কয়েকদিন গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৬০ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ১৬.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে। সেখানে পারদ পৌঁছেছিল ৪৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল অসমের হাফলংয়ে, ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আন্দামান-নিকোবর, উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এখন সকলের নজর, কবে বাংলায় পুরোপুরি বর্ষার প্রবেশ ঘটে।

মে ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal